সূত্রের খবর অনুযায়ী, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের একটি নতুন রাজনৈতিক দলে যোগদান ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং তৎকালীন ‘ন্যাশনাল অর্গানাইজ়িং জেনারেল সেক্রেটারি’ শান্তনু দে জানান, তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি। তিনি বলেন, “আমি জানলে এর বিরোধিতা করতাম, এখনও বিরোধিতা করছি।” তাঁর অভিযোগ, দলের সভাপতি উত্তীও কুণ্ডুর সিদ্ধান্তেই এই ঘটনা ঘটেছে।
শান্তনু দে আরও দাবি করেন, দলের নাম, প্রতীক এবং সংগঠনের বহু কাজ তাঁর হাতেই তৈরি হয়েছিল। ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটের সময়ও তিনি দলের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন, “আমি আরএসএস এবং বিজেপির আদর্শে বিশ্বাসী।” তাই তৃণমূলের নেতাদের এই দলে যোগদান তিনি ভাল ভাবে নিচ্ছেন না।
অন্যদিকে, এই বিষয়ে দলের সভাপতি উত্তীও কুণ্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। শুধু জানান, শান্তনুর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। দলের আর এক সদস্য শিউলি কুণ্ডু বলেন, তিনি বর্তমানে কিছু বলতে চান না, তবে তৃণমূলের যোগদানকে স্বাগত জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ ২০২২ সাল থেকে একটি অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসাবে তালিকাভুক্ত। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে দলের প্রার্থীরা দু’টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মোট ৮২২টি ভোট পেয়েছিলেন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এই দলে যোগ দিলেও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারেরা বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকেই সমর্থন করবেন।
