রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে এই জনপদ এর উল্লেখ নেই .কিন্তু যাঁরা ইতিহাস এর অনিসন্ধিতসু পর্যটক তাঁরা এই জায়গাটি ঘুরে যেতেই পারেন
পুরুলিয়ার বহু প্রাচীন একটি জনপদ কাশীপুর .একদা গড় পঞ্চকোট রাজাদের রাজধানী
কাশীপুর জনপদ এর সাথে জড়িয়ে আছে প্রাচীন ইতিহাস . 1832সালে রাজা মনিলাল  শেখর সিং দেও এর হাত ধরে  কাশীপুর রাজ্যের পত্তন . 1972সাল পর্যন্ত এখানে রাজতন্ত্র বলবত্ ছিল .  এমন ইতিহাস আশ্রিত জায়গা কার না পছন্দ হবে !,ভাদু গান ,মাইকেল মধুসূদন এর রাজ এস্টেটে ম্যনেজার হিসেবে চাকরি,রাজা নীলমনি সিং দেও এর নেতৃত্বে বৃটিশ বিরধী সংগ্রাম এর মতো নানা বর্ণময়তার নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে এই এলাকায় . অনেক স্মৃতি নিয়ে আজও বহু ঘটনার সাক্ষী এই রাজপ্রাসাদ .বহু ইতিহাস এর সাক্ষী এই প্রাসাদ . প্রাসাদের ভেতরে প্রবেশ মেলে রাজপরিবার এর অনুমতিক্রমে .এখান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই জয়চণ্ডী পাহাড় .ভ্রমণ পিপাসুদের খুবই পছন্দের জায়গা . বিশ্ববরেণ্য চলচিত্র নির্মাতা সত্যজিত রায় তাঁর হীরক রাজার দেশে ছবির শুটিং করেছিলেন এখানেই .
এমন মনোরম জায়গাউপভোগ করতে গেলে দরকার মনোরম পরিবেশে কয়েকটা দিন একান্তে কাটানো .1963সালে তৈরী বন বাংলো আপনার অস্থায়ী ঠিকানা হতে পারে ! এখান থেকে নিকটবর্তী রেল স্টেশন আদরার দূরত্ব মাত্র সাড়ে সাত কিলোমিটার . এই আদরা রেল শহরও ঘুরে দেখার মতো .জেলা শহর পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে .আপনি থাকার জায়গা হিসেবে জয়চণ্ডী পাহাড় কেও বেছে নিতে পারেন .এখানে রয়েছে সরকারি অতিথি নিবাস .পাহাড়ে চড়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন এখানে . কয়েক কিলোমিটার দূরে মহকুমা শহর রঘুনাথপুর শহর .এখানকার তসর শিল্প খুবই প্রসিদ্ধ .পছন্দের কাপড় কিনতে পারেন এখান থেকে .
আদরা  রেল স্টেশনে নেমে কাশীপুর যাওয়া যায় সহজেই . অটো তে চড়ে জয়চন্ডী পাহাড় কিংবা কাশীপুর যাওয়া যায় নামমাত্র ভাড়ায় . দু তিন দিন বেড়ানোর জন্য আদর্শ জায়গা .

Source : Tapan Mahato

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here