প্রায় দুশো বছরের প্রাচীন দেবী মা গণেশ জননীর মূর্তি সংষ্কার ও নবনির্মিত মন্দিরের শুভ অভিষেক উপলক্ষ্যে হাজার হাজার গ্রামবাসী মেতে উঠলেন আনন্দে।পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষের দুবরাজহাট গ্রামে ।গ্রামে ব্রাহ্মণ,বৈষ্ণব,শুদ্র ও কিছু মুসলিম পরিবারের বসবাস। প্রায় দুশো বছর আগে, গ্রামের শাসনভার ছিল বর্ধমানের রাজার অধীনে তৎকালীন চক্রবর্ত্তী জমীদার স্থানীয় বটব্যাল পরিবারের হাতে।মা গণেশ জননী হলেন জমীদার পরিবারের গৃহদেবী ।জমীদাররা আজ আর নেই কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠিত মা গণেশ জননী সদা জাগ্রত রয়েছেন,তিনি এখন কেবল জমীদার পরিবারের গৃহদেবীই নন,তিনি এখন এলাকার গ্রাম্য দেবী হিসাবেই পুজিতা হন।মা গণেশ জননী হলেন দূর্গার এক রূপ,তবে,মা দূর্গা যেমন সঙ্গে লক্ষী,সরস্বতী,কার্ত্তিক ও গণেশ কে নিয়ে আসেন,মা গণেশ জননী কেবল পুত্র গণেশ ও দুই সখী জয়া ও বীজয়া কে নিয়ে আসেন।মা নিজ পুত্র গণেশ কে নিজের কোলে বসিয়েছেন।দূর্গা নবমীতে মায়ের পুজা হলেও ,মায়ের প্রধান পুজা হয় মাঘি পূর্ণিমার দিন।
জমীদার পরিবারের পক্ষ থেকে মায়ের সেবাইত তপন বটব্যাল বলেন মা গণেশ জননীর প্রাচীন মূর্তিটি পাথরের ছিল,সেটিকে সংষ্কার করে বর্তমানে গঙ্গামাটি দিয়ে মায়ের মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে।আজকে মায়ের নবনির্মিত মন্দিরের শুভ অভিষেক কর্ম্মাদি সুসম্পন্ন হল।আমাদের দুবরাজহাট গ্রাম ছারাও আশেপাশের গ্রাম থেকেও অনেক ভক্ত দর্শনার্থী মায়ের অভিষেক কর্ম্মাদি দর্শন করতে এসেছেন বৃষ্টি কে উপেক্ষা করে।আমরা প্রায় এক থেকে দেড় হাজার মানুষকে খিঁচুরীভোগ প্রদান করেছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here