পুজো বেড়ে বেড়ে যাচ্ছেতাই কাণ্ড।উদ্যোক্তারা ও উৎসাহীরা দুর্গা মা এবং পরিবার বিদায় নেবেন ভেবে একটুও মন খারাপ করেন না।বরং কি সব গগণ বিদারি মাইক, ঝিনকারাক্কা বাদ্যি,আদিবাসী নৃত্য,পাড়াতুতো বিভঙ্গ নাচ,বাজি পটকা বারুদ সহ বিসর্জন আনন্দে মত্ত হওয়া চলে।
কিন্তু এমন বীভৎস আনন্দ বিসর্জন পরিবেশ কিভাবে প্রকৃতি নিতে পারে তা কি কেউ ভাবছেন?
প্রতিমা রঙ, মাটি,খড়, কাঠামো সব বিভিন্ন জলে পড়ে কি পরিমাণ দূষণ ঘটাচ্ছে তা কি ভাবছেন?
সীসা, পারদ,ক্যাডমিয়াম,তামা, আর্সেনিক,দস্তা প্রভৃতি ভয়ানক বিষাক্ত রাসায়নিক জলে দ্রবীভূত হয়ে সর্বনাশ করছে।এই দূষিত জলই পরোক্ষে আমরা পান করছি।নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। অথচ কারও কোনও হেলদোল নেই। বিকল্প বিসর্জন-পথ আবিষ্কার করুন।
যদি নানা প্লাস্টিক,ফুল বেলপাতা ইত্যাদি আলাদা করে রিসাইক্লিং করা হয়।আর প্রতিমা প্রসেশনের পর আবার কুম্ভকার শিল্পীর বাড়িতে বা কারখানায় সমর্পণ করা হয় তাহলে সবচেয়ে ভালো হয়।কার্নিভাল হলো আবার রিসাইক্লিং হলো।পরের বার আবার শিল্পীর হাতে নব প্রতিমা পেলাম।পরিবেশ ও স্বাস্থ্য রক্ষা করতে এই হলো সহজ পন্থা।ভাবুন সরকার।উদ্যোগী হন সবাই।

— বিবেকানন্দ চৌধুরী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here